বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমরা যেন আবার অন্ধকারের দিকে না যাই। নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে চক্রান্তকারীদের হাতে না পড়ি। তা হলে দেশ আবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই নির্বাচনকে ভাঙার বা বানচালের চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটা যেন করতে না পারে, আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।”
আলেম–ওলামাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “অনেকে দাবি করছে আমরা কোরআন ও সুন্নাহর আইন চাই না। নাউজুবিল্লাহ। আমরা সব সময় কোরআন ও সুন্নাহর মধ্যেই থাকতে চাই। আমরা কমিটেড, অঙ্গীকারবদ্ধ। এই দেশে আমরা কোরআন ও সুন্নাহর বাইরে কোনো আইন করতে দেব না। এটি আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং আমরা সব সময় এটি মানতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।“
ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, “এই নির্বাচনে আপনারা নির্ধারণ করবেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশ কারা পরিচালনা করবে। গত ১৫ বছরে তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের সব প্রতিষ্ঠান, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। শুধু কিছু সংখ্যক ব্যক্তিকে ধনী করার জন্য ব্যাংক লুট, বিদেশে টাকা পাচার এবং সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “তারা ক্ষমতা স্থায়ী করতে রাজনৈতিক দল, আলেম–ওলামাদের নির্যাতন করেছে। গ্রেপ্তার ও শহীদ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারত না। ভয়ে ভয়ে থাকতে হতো।”
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “আজ আমাদের সম্পর্কে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে আমাদের ধর্মবোধ, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য আমরা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছি। ইসলাম শান্তির ধর্ম। আমরা শান্তি চাই এবং এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা হোক।”
সভায় জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ জেলার আলেম–ওলামা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
